কানাডায় উচ্চশিক্ষা : সেরা গন্তব্য হতে পারে ‘ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা’

0 2,009

বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর একটি হচ্ছে কানাডা যার জনসংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ার চেয়েও কম! অথচ আয়তনের দিক দিয়ে এটি বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। উন্নত জীবনযাপন, সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা এবং বিশ্বমানের শিক্ষার কারণে পুরো বিশ্ববাসীর কাছে পছন্দের শীর্ষ দেশ হয়ে উঠৈছে এটি। জীবনযাপন ও শিক্ষার অতুলনীয় সুযোগ-সুবিধার কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরাও দেশটিকে তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের অন্যতম শীর্ষ গন্তব্যস্থল হিসেবে বেছে নিচ্ছে। বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি ছেলেমেয়েদের কাছেও দেশটি এখন পছন্দের শীর্ষ নাম।

কানাডার ১০টি প্রদেশ ও ৩টি ভূখণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে সাচকাচুয়ান। এটি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী ১০ লাখের কিছুটা বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত একটি প্রদেশ। রাজধানী শহর রেজিনা। প্রদেশটিতে যতগুলো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা হলো ‘ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা’। জাতীয়ভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ২৭তম।

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের রাজধানী শহর টরন্টোতে এখন সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এর পরেই রয়েছে সাচকাচুয়ান প্রদেশের রাজধানী রেজিনার অবস্থান।

উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা কেন : বাংলাদেশিসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার জন্য পছন্দের শীর্ষ থাকা দেশগুলোর মধ্যে এখন বলা যায় কানাডা-ই এক নম্বরে। আর এ শীর্ষস্থানে থাকার পেছনে যে কারণগুলো রয়েছে সেগুলোর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো :
১. পড়াশোনা ও জীবনযাপনের জন্য বিশ্বমানের পরিবেশ।
২. অর্জিত ডিগ্রির বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা।
৩. পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ ও পড়াশোনা শেষে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুবর্ণ সুযোগ। শুধু বলার জন্যই নয়, পড়াশোনা শেষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ এখন কেবল উত্তর আমেরিকার এই দেশটি-ই দিচ্ছে।
৪. উচ্চশিক্ষার অন্যান্য জনপ্রিয় গন্তব্য যেমন অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচে ডিগ্রিলাভের সুযোগ।

উচ্চশিক্ষার্থে যে কারণে ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা :
১. আইইএলটিএস ছাড়াও Duolingo Test এর মাধ্যমে অধ্যয়নের সুযোগ।
২. শুধু এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই স্কলারশিপ প্রাপ্তির সুযোগ।
৩. অন্য ইউনিভার্সিটিতে ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুবিধা।
৪. ভালো ফলাফলসহ গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় সেখানেই চাকরির সুযোগ।
৫. ১০ বছর পর্যন্ত স্টাডি গ্যাপ গ্রহণযোগ্য।
৬. এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানে সিজিপিএ ন্যূনতম ৩.০ হলেই ভর্তির সুযোগ।
৭. আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে কানাডায় পড়াশোনার পাশাপাশি বৈধভাবেই কাজের সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ কোর্স চলাকালীন সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা এবং ছুটির সময় পূর্ণকালীন অর্থাৎ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করা যাবে। ২০১৭ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাচকাচুয়ান প্রদেশে ঘণ্টাপ্রতি ন্যূনতম মজুরি প্রায় ১১ কানাডিয়ান ডলার।

ইউনিভার্সিটি অব রেজিনার প্রোগ্রামসমূহ : কানাডায় এক বছর থেকে শুরু করে বিভিন্ন মেয়াদে ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব রেজিনার প্রোগ্রামগুলোও একই ধাঁচের। এখানে ১ থেকে ৪ বছর মেয়াদি প্রি-প্রফেশনাল প্রোগ্রাম, ১-২ বছর মেয়াদি সার্টিফিকেট, ২ বছরের ডিপ্লোমা, ৪ ও ৫ বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রি, ২-৩ বছরের ট্রান্সফার ডিগ্রি এবং ৪ বছরের জয়েন্ট ডিগ্রি করার সুযোগ রয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব রেজিনায় ব্যাচেলর ডিগ্রির মেয়াদ সাধারণত ৪ বছর মেয়াদি, মাস্টার্স ডিগ্রি ২ বছর মেয়াদি আর ডিপ্লোমা ২ বছর মেয়াদি।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ : ইউনিভার্সিটি অব রেজিনাসহ কানাডায় উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে যেকোনো ধরনের তথ্য জানতে ভিজিট করতে পারেন এই ওয়েবসাইট : http://www.bsbbd.com

মোবাইলে তথ্য পেতে কল করতে পারেন এই নম্বরে : ০১৭২০৫৫৭১০২-১০৫।

চাইলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অফিস ভিজিট করেও বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন। ঠিকানা : বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক, প্লট-২২, গুলশান সার্কেল-২, ঢাকা।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.